কিন্তু গাইঘাটা বিধানসভার ক্ষেত্রে লড়াইটা হতে চলেছে চতুর্মুখী. এই লড়াইতে শেষ মুহূর্তে কে হাসবে সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন?
সব প্রার্থী ফ্লেক্স ফেস্টুন দেওয়াল লেখাতে একে অপরকে টেক্কা দিচ্ছে. বাড়ি বাড়ি প্রচারে সব থেকে বেশি এগিয়ে থাকবে জোটের প্রার্থী কৃষ্ণ ঠাকুর. জনসংযোগের এগিয়ে থাকছে বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুর. দলীয়ভাবে প্রচারে এগিয়ে থাকছে তৃণমূলের উত্তম বিশ্বাস. কিন্তু নির্দল প্রার্থী ডাক্তার সজল বিশ্বাস নিজস্ব ভঙ্গিমায় প্রচার করছেন. তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কথা বলছেন চুপিসারে. গাইঘাটায় বুদ্ধিজীবী মহলের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন ডাক্তার সজল বিশ্বাস. গাইঘাটা বিধানসভায় যে কজন প্রার্থী এবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন তার মধ্যে অন্যতম সুযোগ্য প্রার্থী হলেন প্রাক্তন স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ অভিজ্ঞ ডাক্তার সজল বিশ্বাস. এরপরে যার নাম উঠে আসছেন তিনি হলেন জোটের প্রার্থী কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর. জনপ্রিয়তায় এই দুজন প্রার্থী গাইঘাটা বিধানসভার মানুষের মন জয় করেছে সুযোগ্য প্রার্থী হিসেবে.
এখন দেখার বিষয় গাইঘাটা বিধানসভার মানুষ শেষ মুহূর্তে কাকে বিজয়ী করেন. তবে একটা জিনিস পরিষ্কার গাইঘাটা বিধানসভায় 4 জন প্রার্থী সমানে টক্কর দিতে চলেছে. বুদ্ধিজীবি মহল এর অধিকাংশ ভোট কিন্তু পেতে পারে নির্দল প্রার্থী সজল বিশ্বাস. এছাড়া যারা নিরপেক্ষ এবং ব্যালেন্স ভোটার আছেন তাদের মুখেও ডাক্তারবাবুর কথা শুনা যাচ্ছে. পশ্চিমবঙ্গের সমগ্র বিধানসভা জুড়ে চিত্রটা পরিষ্কার বোঝা গেলেও গাইঘাটার ক্ষেত্রে চিত্রটা কিন্তু ধোঁয়াশা থেকে যাচ্ছে.
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গাইঘাটা বিধানসভার একজন শিক্ষক বলেন, এখানে প্রার্থী হিসেবে শিক্ষক কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর এবং ডাক্তার সজল কান্তি বিশ্বাস কে গাইঘাটার মানুষ পছন্দ করছেন. তবে দলীয় ভাবে জোট এখানে ততটা শক্তিশালী নয়. আবার নির্দল প্রার্থীও ততটা নয়. কিন্তু গাইঘাটা মানুষের মনে এই দুজনের নাম খুব ভাবে ঘোরাঘুরি করছে. যদিও মতুয়া ভোটের কারণে সুব্রত ঠাকুর এগিয়ে থাকছে যেটা প্রকাশ্য খালি চোখে দেখা যাচ্ছে . কিন্তু খালি চোখে যেটা দেখা যাচ্ছে বাস্তব চিত্রটা কিন্তু গাইঘাটায় অন্যরকম.
0 coment rios: