2016 সালে গাইঘাটা বিধানসভা থেকে জয়ী হয়েছিলেন পুলিনবিহারী রায়. তৃণমূল এবার তাকে প্রার্থী করবে কিনা সেটা সময় বলবে. কিন্তু বিশ্বস্ত সূত্রের খবর তৃণমূল এবার তাকে প্রার্থী নাও করতে পারে. নতুন কোন মুখ তুলে আনা হতে পারে গাইঘাটা বিধানসভা নির্বাচনের জন্য. শাসক দল তৃণমূল চাইছে গাইঘাটা বিধানসভা যেকোনো মূল্যে জিততে.
বিজেপিও চাইছে এই বিধানসভা কে জিততে. বিজেপি যদি এই বিধানসভায় ঠাকুরবাড়ির কাউকে প্রার্থী করে সে ক্ষেত্রে কঠিন লড়াই হতে পারে.
ঠাকুরনগর,ও গোবরডাঙ্গার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জনমত সমীক্ষায় এই মুহূর্তে বিজেপি প্রার্থীর দৌড়ে যারা রয়েছে -1) দুলালদেব সমাদ্দার. তিনি হিন্দু সংহতির লড়াকু নেতৃত্ব. অনেক পুরনো বিজেপির নেতা.তিনি দীর্ঘদিন ধরে উদ্বাস্তু বা শরণার্থী মানুষদের জন্য লড়াই করে চলেছেন. তিনি পেশায় একজন ক্ষুদ্র উদ্যোগ প্রতি. প্রায় কুড়ি হাজার কর্মচারী তার অধীনস্থ সংস্থায় কাজ করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে.
2) এরপর এই জনমত সমীক্ষায় উঠে আসছে মলয় মন্ডল এর নাম. তিনিও লড়াকু নেতৃত্ব. যুব নেতা হিসেবে তিনি নিজেকে এলাকায় প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন. যদিও তিনি তপশিলি মোর্চার জেলা সভাপতি হয়েছিলেন. বর্তমানে তিনি তপশিলি মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্য.
3) এরপরে উঠে আসছে জগদীশ সরকার এর নাম. হিন্দুত্ববাদি ও সংঘ ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন. বর্তমানে তিনি রাজ্য তপশিলি মোর্চার সহ-সভাপতি. তপশিলি মোর্চার নবদ্দীপ জোনের তিনি কনভেনার.
4) এরপরে উঠে আসছে মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর এর নাম. তিনি এই বিধানসভা থেকে আগেও প্রার্থী ছিলেন এবং মন্ত্রী ছিলেন. বিজেপিতে যোগ দেয়ার পরে তিনি মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করেছিলেন.
5) এরপরেই নাম উঠে যাচ্ছে সুব্রত ঠাকুরের. তিনি বনগাঁ লোকসভা উপনির্বাচন এ প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বালা ঠাকুর এর বিরুদ্ধে. তিনি হেরে যাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া চলে গিয়েছিলেন.
গাইঘাটা বিধানসভার জনমত সমীক্ষায় বর্তমানে এই চিত্র ফুটে উঠেছে.
গাইঘাটা বিধানসভার বিভিন্ন নেতৃত্ব মারফত সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে . যদি বিজেপি ঠাকুরবাড়ি থেকে কাউকে প্রার্থী করে তাহলে হিন্দু সংহতির নতুন রাজনৈতিক দল জনসংহতি থেকে এখানে প্রার্থী দেওয়া হবে. তখন জনসংহতি থেকে প্রার্থী হতে পারেন গাইঘাটা বিধানসভার হিন্দু সংহতির কোন নেতৃত্ব. তবে সবটাই অনুমেয়. বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী এই আবহাওয়া গাইঘাটা বিধানসভায় বইছে.
0 coment rios: