২০২১ সালে বিজেপি এখানে মাত্র ৬% ভোট পেয়েছিল। বিজেপির মিলন ঘোষ ১০ হাজার ৮০০ ভোট পেয়েছিলেন ২০২১ সালে বিধানসভায়।
২০১৬ সালে মিলন ঘোষ এখান থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু সেভাবে তিনি এখানে দাঁত ফোটাতে পারেননি। প্রতিবারই তিনি এখান থেকে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। তার একমাত্র কারণ এখানকার বিধানসভার প্রায় ৮০% মুসলিম ভোট। বাকি ২০% হিন্দু ভোটার। তবুও বিজেপি এখানে মাত্র ৬ থেকে ৭ শতাংশ ভোট পায়। তার একমাত্র প্রধান কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং ভুল প্রার্থী নির্বাচন। এই বিধানসভার জাত পাতের ভিত্তিতে কত শতাংশ ভোট কোন সম্প্রদায়ের সেটা নিম্নে দেওয়া হলো।
এই বিধানসভায় মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোট ৭৯.৮%। হিন্দুদের মধ্যে দাস পদবী আছে এমন ভোটারের সংখ্যা ৪.২ শতাংশ। এরপরে আছে মন্ডল- ৩.৫%।
শাসক দল তৃণমূলের পক্ষ থেকে হয়তো আমিরুল ইসলামকে আবারো প্রার্থী করা হতে পারে। সিপিএমের পক্ষ থেকে তোয়াব আলী কে পুনরায় প্রার্থী করা হতে পারে।
বিজেপি পক্ষ থেকে প্রার্থীরা দৌড়ে উপরে থাকবে নিমতিতা পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা অশান্ত হালদারের নাম। জনমত সমীক্ষায় তার নামটি সবার উপরে উঠে আসছে। ২০১৬ সাল থেকে মিলন ঘোষ কে বিজেপি প্রার্থী করে আসছে কিন্তু সেভাবে তিনি প্রভাব ফেলতে পারেনি। তাইতো এই বিধানসভা মানুষের প্রথম পছন্দের প্রার্থী হিসেবে নিমতিতা পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতাকেই বিজেপি কর্মীরা চাইছে। এখন দেখার দল কাকে প্রার্থী করে। পাশাপাশি বিধানসভার কনভেনার ষষ্ঠী চরন দাসের নাম ও শোনা যাচ্ছে প্রার্থীর দৌড়ে তিনিও আছেন।
তবে সামশেরগঞ্জ বিধানসভায় 219 টি বুথের মধ্যে বিজেপি 100 কাছাকাছি বুথে এখনো পর্যন্ত বুথ কমিটি গঠন করতে পারেনি।
বিধানসভার বুথ স্বশক্তি করনের কাজ চলছে। কিন্তু সেভাবে এখনো বুথ মজবুত করা যায়নি।
তবে ২০২৬ সালে বিজেপি যদি ৫% মুসলিম ভোট দখল করতে পারে এবং বাকি ২০% হিন্দু ভোটকে ভোট মুখী করতে পারে, আর যদি সিপিএম কংগ্রেস ভালো প্রার্থী দিতে পারে তবে এখানে ত্রি মুখী বা চতুর্মুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
যেটা ২০১৬ সালে দেখা গেছিল। মাত্র এক দুই শতাংশ ভোটের ব্যবধানে এখানে তৃণমূল জয় লাভ করেছিল।
৩০% ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছিল তৃণমূলের আমিরুল ইসলাম। আর ২৯ শতাংশ ভোট পেয়ে সিপিএমের তোযাব আলী দ্বিতীয় স্থান দখল করেছিল। আর কংগ্রেজে রেজাউল হক পেয়েছিল ২৭ শতাংশ ভোট। আর বিজেপি পেয়েছিল ৭% শতাংশ ভোট।।
তবে এবার সিপিএম কংগ্রেসের জোট হলে ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
তবে তৃণমূলের এখানে জয়ের সম্ভাবনা আছে ৭৭ শতাংশ। এখন দেখার বিষয় কোন দল কাকে প্রার্থী করে।
0 coment rios: