Monday, March 1, 2021

চাপড়া বিধানসভায় তৃণমূল এগিয়ে থেকে শুরু করবে. কে কে আছে প্রার্থীর দৌড়ে?

নিজস্ব প্রতিনিধি, এবার বাংলা, চাপড়া - 2021শে এর মহাযুদ্ধ তৃণমূল এগিয়ে থেকে শুরু করবে চাপরা বিধানসভা থেকে. গত লোকসভা ভোটে এখান থেকে তৃণমূল প্রায় 50 হাজার ভোটে লিড দিয়েছিল. এই বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটাররা একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নির্বাচনে. তবে জোট  প্রার্থী দিলে বিজেপি অ্যাডভান্টেজ থাকবে. জোটের প্রার্থী হিসেবে সিপিএম এখান থেকে কাউকে প্রার্থী দিলে তবেই জোট অ্যাডভান্টেজ থাকতে পারে.
 সে ক্ষেত্রে চাপড়া বিধানসভায় ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে. এই ত্রিমুখী লড়াই হলে পরেই বিজেপি'র জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হবে এই বিধানসভায়.

 গত লোকসভা নির্বাচনে এখান থেকে বিজেপি পেয়েছিল 55603 ভোট. তৃণমূল পেয়েছিল 1লক্ষ 4 হাজার  975 ভোট.  সিপিএম পেয়েছিল 20324 ভোট ও ও কংগ্রেস পেয়েছিল 8178 ভোট.
 কিন্তু 2016 সালের বিধানসভা  নির্বাচনে এই চিত্রটা ছিল না.
 এখানে তৃণমূলের রুকবানুর রহমান পেয়েছিলেন 89 হাজার 556 ভোট.  সিপিএমের শামসুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছিলেন 76 হাজার 93 ভোট. বিজেপির সুতীর্থ চক্রবর্তী (চুনী ) পেয়েছিলেন 14 হাজার 887 ভোট.  2016 সালে শিবসেনাও এখানে প্রার্থী দিয়েছিলেন.  শিবসেনার পক্ষ থেকে সমরেশ বিশ্বাস এখানে ভোট পেয়েছিলেন 4081 ভোট.
 কৃষ্ণনগর লোকসভার মধ্যে চাপড়া বিধানসভা অন্যতম তৃণমূলের কাছে.
 তৃণমূল হয়তো প্রার্থী বদল. নাও করতে পারে. সেক্ষেত্রে রানিং বিধায়ক তিনি হতে পারেন আগামী দিনের প্রার্থী তৃণমূলের.

 বিজেপির  প্রার্থীর দৌড়ে সবার প্রথমে যে নামটি ভেসে আসছে তিনি হলেন 1) শিক্ষক  পরিতোষ সরকার. তিনি বর্তমানে রাজ্য তপশিলি মোর্চার সদস্য. নদীয়া জেলার SC মোর্চার অবজারভার. তিনি দীর্ঘদিন ধরে পার্টির সঙ্গে যুক্ত আছেন. নদীয়া জেলার পুরনো নেতৃত্ব এর মধ্যে তার নামটি প্রথমে  আসবে.
2) এরপরে ভেসে আসছে সুতীর্থ চক্রবর্তীর নাম. তিনি বর্তমানে পার্টির  জেলা  সম্পাদক পদে আছেন. 2016 সালে বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিধানসভায় বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এখান থেকে.
3) বহিরাগত প্রার্থী হিসেবে মাহফুজা খাতুন এর নাম ওই বিধানসভা থেকে ভেসে উঠছে. তিনিও প্রার্থীর দৌড়ে আছেন এই বিধানসভা থেকে. অত্যন্ত সুবক্তা হিসেবে ইতিমধ্যে তার নাম ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে.
4) আরেকটি নাম বিধানসভা মানুষের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে তিনি হলেন শিক্ষক  মনোজ বিশ্বাস. তিনি প্রাক্তন  রাজ্য সম্পাদক.
 একজন মুসলমান প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে বিধানসভা থেকে. তবে বিধানসভার সাধারণ মানুষ চাইছেন বিজেপি এখান থেকে কোন হিন্দুকে ব্যাক্তি করুক.
 তবে এই বিধানসভায় কিছুটা হলেও অ্যাডভান্টেজ আছে তৃণমূল. তবে আব্বাস সিদ্দিকীর দল এখানে প্রার্থী দিলে সমীকরণ পাল্টাতে পারে. এখন দেখার দল কাকে প্রার্থী করে এখান থেকে.
 এই বিধানসভায় কিছুটা শিবসেনা সংগঠন আছে. হিন্দু ভোটারের  কিছুটা অংশ দখল করে রেখেছে শিবসেনা.
 এই বিধানসভার ভৌগোলিক চিত্র মূল্যায়ন করে পাওয়া যায় এখানে 2011 সালে সেন্সাস অনুযায়ী  মোট জনসংখ্যা ছিল 3 লক্ষ 10 হাজার 652 জন.
 যার মধ্যে গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করে 95.45 শতাংশ এবং শহর এলাকায় বসবাস করেন 4.55 শতাংশ.
 এই বিধানসভায় 20.25 শতাংশ মুসলমান ভোটার. তপশিলি ভোটার  15.85 শতাংশ. এই বিধানসভার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে কৃষি নির্ভর করে.
 

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: