সর্বশেষ

Thursday, March 26, 2026

পলাশীপারা বিধানসভায় প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চরম বিপদে বিজেপি।

পলাশীপারা বিধানসভায় প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চরম বিপদে বিজেপি।

দীপশিখা ব্যানার্জি,  পলাশীপাড়া, এবার বাংলা - বিজেপির দ্বিতীয় দফা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে  মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়া জেলা জুড়ে যেভাবে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পাচ্ছে বিজেপি কর্মী এবং সমর্থকদের মধ্যে যেটা বিজেপির মাথা যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।  পুরো নবদ্বীপ জোন জুড়েই  কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ কাজ করছে। মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জঙ্গিপুর লোকসভার যে সাতটি বিধানসভা আছে  তার বেশিরভাগ বিধানসভা ও জেলার সভাপতি সুবল ঘোষ ও জোন ইলেকশন অবজারভার রামপদ দাসের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 অপরদিকে পলাশীপাড়া বিধানসভার বিজেপির প্রার্থী অনিমা দত্তকে বিজেপির কর্মী এবং মন্ডলের সভাপতিরাই কেউ মেনে নিচ্ছে না। প্রার্থী কোথাও প্রচারে গেলে পরে সেখান থেকে তাড়া খেয়ে তাকে ফিরে আসতে হচ্ছে। বিজেপির কর্মীদের কাছেই বিজেপি প্রার্থী প্রতিনিয়ত হেনস্থা শিকার হচ্ছে যেটা সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘোরাঘুরি করছে এবং এবং পুরো পলাশীপাড়া বিধানসভা জুড়ে কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পাচ্ছে। হাজার হাজার কর্মীরা একত্রিত হয়ে অনিমা দত্তের বিরুদ্ধে মিটিং মিছিল করছে। 
 এটা সত্যিই বিজেপির কাছে একটা মাথা যন্ত্রণার কারণ। নাকাশিপাড়া এবং পলাশীপাড়া বিধানসভা দুটি ফিফটি ফিফটি জায়গায় ছিল। কিন্তু প্রার্থী নিয়ে কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোপ থাকার কারণে বিজেপি এই দুটো আসন লড়াই দেওয়ার জায়গায় থেকে দিন দিন সরে যাচ্ছে।  
 নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাসকে কর্মীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ  ও তৃণমূলের সাথে গটাপ করে প্রার্থী দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। 
 অর্জুন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে প্রার্থী করার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগ করেছেন খোদ বিজেপির কিছু জেলার নেতৃত্ব এবং কর্মী সমর্থকরা।  
 রাজ্য বিজেপি বিষয়টি দেখেও  এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। অনিমা দত্ত শেষ পর্যন্ত এখানে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে থেকে গেলে দশ শতাংশ বুথেও ভোটের দিন কর্মী বসাতে পারবে না। কাউন্টিং এজেন্ট যাওয়া তো দূরের কথা। 
 নাম প্রকাশে অনচ্ছুক এক বিজেপি কর্মী বলেন, আমরা পলাশীপাড়া বিধানসভার কর্মী সমর্থকরা দীর্ঘ দিন ধরে জেলা সভাপতি অর্জুন-বিশ্বাসের অত্যাচারের শিকার। তিনি পার্টিটাকে নিজের বাপের সম্পত্তি মনে করেন আর আমাদেরকে দলের কর্মচারী মনে করেন। এখানকার মন্ডল সভাপতি এবং কর্মী নেতাদের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে অনিমা দত্তকে প্রার্থী করা হয়েছে কোন অংকে কোন হিসেবে তার কৈফিয়ত দিতে হবে জেলা সভাপতি অর্জন বিশ্বাস কে। অর্জুন বিশ্বাস এখানে এসে অনিমা দত্তকে নিয়ে প্রচার করে অনিমা দত্তকে জিতিয়ে নিয়ে যাক আমরা তার পাশে নেই।  পুরো কৃষ্ণনগর লোকসভার মধ্যে বিজেপির একটা ভালো ফলের আশা করেছিলাম কিন্তু তিনি যেভাবে টাকা নিয়ে প্রার্থী সেটিং করেছেন সেটা আমরা মেনে নিতে পারছি না। পলাশীপাড়া বিধানসভার প্রার্থী যদি বদল না হয় তাহলে আমরা এই বিক্ষুব্ধ কর্মীরা নির্দল প্রার্থী দেব। অর্জুন বিশ্বাসকে আমরা দেখিয়ে দেবো দলের কর্মী সমর্থকদের মতামতের গুরুত্ব না দিলে কি হয়।

Wednesday, February 25, 2026

খড়গ্রাম বিধানসভায় নির্বাচনী প্রস্তুতি বৈঠকে পরিবর্তন রথযাত্রা উপলক্ষে আলোচনা সভা।

খড়গ্রাম বিধানসভায় নির্বাচনী প্রস্তুতি বৈঠকে পরিবর্তন রথযাত্রা উপলক্ষে আলোচনা সভা।

শুভকল্যাণ বিশ্বাস, খড়গ্রাম, এবার বাংলা - আজ ৬৬ খড়্গ্রাম বিধানসভায় চারটি মন্ডল কে নিয়ে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি বৈঠক এবং পরিবর্তন রথযাত্রা উপলক্ষে আলোচনা সভা হয় ।
 আজকের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রমন্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন MLA রাজেশ্বর ঝা,জেলা সভাপতি সুবল চন্দ্র ঘোষ, চারটি মন্ডল সভাপতি,দোলচাঁদ মাল,বিধানসভার কনভেনর অপূর্ব মন্ডল, ইনচার্জ দীনেশ মজুমদার এবং এসসি মোর্চা সভাপতি আদিত্য মল্লিক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। 
 জেলা সভাপতি সুবলচন্দ্র ঘোষ বলেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জঙ্গিপুর লোকসভা থেকে বিজেপি কমপক্ষে চারটি বিধানসভায় জয়লাভ করতে চলেছে তার মধ্যে খড়গ্রাম বিধানসভা অন্যতম। 
 আমি খড়গ্রাম বিধান সভার সমস্ত কার্যকর্তাদের কাছে অনুরোধ করব, আপনারা ঝাঁপিয়ে পড়ুন দলের কাজে, পরিবর্তন যাত্রা কে সফল করতে হবে, এই খড়গ্রাম বিধানসভা আমরা বিজেপিকে উপহার দিতে চাই । আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করে এই বিধানসভা জয় লাভ করবোই। 
রানীমা অমৃতা রায় কর্মীদের নিয়ে গৃহ সম্পর্ক অভিযান ও চাটাই বৈঠক করলেন।

রানীমা অমৃতা রায় কর্মীদের নিয়ে গৃহ সম্পর্ক অভিযান ও চাটাই বৈঠক করলেন।

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর, দৃষ্টি বাংলা -গত লোকসভায় কৃষ্ণনগর লোকসভার প্রার্থী রানীমা অমৃতা রায় বর্তমানে বিজেপির কার্যক্রম গৃহ সম্পর্ক অভিযান ও চাটাই বৈঠক করলেন। 
আজ  বিকেল 4:30 টার সময় পলাশিপাড়া বিধান সভার তপশিলী অধ্যুসিত শম্ভুনগর পাড়ার 79/190 -191-192 নং বুথে গৃহ সম্পর্ক অভিযান কার্যক্রম করার পর তপশিলী সমাজের মানুষের সঙ্গে চাটাই বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেন অমৃতা রায়, কৃষ্ণনগর লোকসভার অন্তর্গত বিভিন্ন বিধানসভার পিছিয়ে পড়া সমাজের মানুষেরা কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা সঠিকভাবে পাচ্ছি কিনা সেই খোঁজখবর নেন। 
 তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই ভোট সম্ভবত হিন্দুদের শেষ ভোট হতে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। সম্ভবত স্বাধীনভাবেই এবার হয়তো ভোট দিতে পারবে বাংলার সনাতনী মানুষেরা। তার কারণ নির্বাচন কমিশন এবার পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবস্থা করবে। প্রত্যেকটা সনাতনী মানুষকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে বিজেপি কে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন রানী মা অমৃতা রায়। 
 এছাড়া গৃহ সম্পর্কে অভিযানে গিয়ে, সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিজেপির প্রত্যেকটি প্রকল্প সকলের জন্য সমান। আমাদের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যেকটি প্রকল্প যাতে সকলে পায় সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জি। 
আজকের এই উক্ত কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন  অনুপ কুমার মন্ডল বিরোধী দল নেতা নাকাশিপাড়া পঞ্চায়েত সমিতি, পলাশি পাড়া বিধান সভার নেতৃত্ব সঙ্গিতা ঘোষ মহিতোষ ভৌমিক সহ একাধিক বুথ সভাপতি শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ গণ। 
 নাকাশিপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা অনুপ কুমার মন্ডল বলেন, তৃণমূল যতই চেষ্টা করুন এবার ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না। তার কারণ তৃণমূলের যে কোর ভোট ব্যাংক সেটা তৃণমূলের পাশ থেকে সরে গেছে। সংখ্যালঘু ভোটাররা তৃণমূলের কাছ থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। আর হিন্দু সনাতনী ভাইয়েরা তৃণমূলদের ভোট দেবে না। অর্থাৎ তৃণমূলের পরাজয় এবার নিশ্চিত। 

Sunday, January 25, 2026

2026শে নদীয়া জেলায় শেষ মুহূর্তে কারা কারা প্রার্থীর দৌড়ে আছে শাসক এবং বিরোধীদলের।

2026শে নদীয়া জেলায় শেষ মুহূর্তে কারা কারা প্রার্থীর দৌড়ে আছে শাসক এবং বিরোধীদলের।

শুভ কল্যাণ বিশ্বাস, এবার বাংলা, নদীয়া -
 নদিয়া জেলাতে ২০২১ এর তুলনায় ২০২৬-এ বিধানসভা ভোটে বিজেপির ফলাফল ভালো হতে পারে । তার অবশ্য একাধিক কারণ আছে। 
 ২০২১ এর দুর্নীতি ইস্যু থাকলেও লক্ষীর ভান্ডার এই ইস্যুকে ধামাচাপা দিতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ এ কোন লক্ষী ভান্ডার বর্তমান সময়ে রাজ্য সরকারকে আর বাঁচাতে পারবে না। 
 এই জেলার মধ্যে ১৭ টা বিধানসভা আসন। যার মধ্যে ৫টি সংরক্ষিত। 
 ২০২১ সালে এই জেলাতে মোট ভোটার ছিল ৪১ লক্ষ ১২ হাজার ০৬৮ জন। 
 মোট ভোট পোলিং হয়েছিল ৩৬ লক্ষ ২৫ হাজার ২৫৮ জনের। শতাংশের হিসেবে ৮৮. ২% শতাংশ।

 শাসক দল তৃণমূল এখানে ভোট পেয়েছিল মোট ১৬ লক্ষ ১১ হাজার ৫০ জনের। যেটা মোট পোলিং ভোটের ৪৪.৪ শতাংশ।
 বিরোধী বিজেপি পেয়েছিল ১৫ লক্ষ ৯০ হাজার ১৪৭ জনের। যেটা মোট পোলিং ভোটের ৪৩.৯ শতাংশ। অর্থাৎ তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোটের পার্থক্য ছিল ০.৫% মাত্র। 
 এই ছোট্ট একটি পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায় এখানে বিজেপির আসন সংখ্যা কম থাকলেও ভোটের পার্থক্য খুবই কম ছিল। 
 অপরদিকে সিপিএম ২০২১ সালে ভোট পেয়েছিল ২ লক্ষ ৮ হাজার ৬৯৯ জনের। যেটা মোট পোলিং ভোটের ৫.৮%।
 আর কংগ্রেস পেয়েছিল ৫৬ হাজার ৬৭৬ ভোট। অর্থাৎ ১.৬ শতাংশ। 
 তৃণমূল বিজেপি একে অপরের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে। 
 বর্তমানে বিজেপির দখলের সাতটি বিধানসভা ও তৃণমূলের দখলে দশটি বিধানসভা। দুটি লোকসভা আসন কৃষ্ণনগর তৃণমূলের দখলে রানাঘাট বিজেপির দখলে। 
 অর্থাৎ নদীয়া জেলায় বিজেপি তৃণমূল জোর টক্কর হতে যাচ্ছে ২০২৬ শে।

 তৃণমূলের দখলে থাকা ১০ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে কমপক্ষে বিজেপির দখলে ৪টি আসতে পারে। সেগুলি হল কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, তেহট্ট, রানাঘাট দক্ষিণ, নাকাশিপাড়া। 
 এছাড়া নবদ্বীপ শান্তিপুর ও পলাশীপাড়া ও করিমপুর বিধানসভা এখানেও জোর লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে। যদি বিজেপি ঠিক ঠাক প্রার্থী নির্বাচন করতে পারে, ভোটের দিন সমস্ত বুথ গুলোতে বিজেপি কর্মী বসাতে পারে ও গণনা কেন্দ্র সঠিকভাবে পাহারা দিয়ে ভোট গুনে বাইরে আসতে পারে। 
 রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী,SIR হলে তৃণমূলের চার থেকে পাঁচ শতাংশ ভোট কমে যেতে পারে। CAA ফর্ম ফিলাপের কারণে বিজেপির দুই থেকে তিন শতাংশ ভোট বৃদ্ধি পেতে পারে। 
 অর্থাৎ এই জেলায় বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা প্রবল।
 কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভায়  যে নামটি প্রথমেই উঠে আসছেন তিনি হলেন রানী মা অমৃতা রায়। তিনি লোকসভা ভোটে কৃষ্ণনগরের প্রার্থী ছিলেন। 
 এছাড়া আরো দুই একজনের নাম শোনা গেলেও হয়তো ক্যান্ডিডেট অমৃতা রায় হচ্ছেন। 
 তৃণমূলের তরফ থেকে একজন যুবনেতার নাম শোনা যাচ্ছে। কৌশানী মুখার্জীকে তৃণমূল এবার এখান থেকে প্রার্থী নাও করতে পারেন। এই বিধানসভায় বিজেপির জয়ের সম্ভাবনার ৭০-৩০ শতাংশ। 
কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভায় জয়ের পার্থক্য হতে যাচ্ছে তৃণমূল বিজেপি ৫১-৪৯%। 
 ২০২৬ শে এখানে তৃণমূলের প্রার্থী দৌড়ে রয়েছে রানিং বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাসের নাম। তবে আরেকজন যুব নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। তিনিও দৌড়ে আছেন । 
 বিজেপি প্রার্থী দৌড়ে প্রথমে যে নামটি উঠে এসেছে তিনি প্রদীপ ঘোষ। নদীয়া উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক। দ্বিতীয় স্থানে থাকছেন মহাদেব সরকার। তিনি গতবারের প্রার্থী এবং রাজ্য কৃষান মোর্চার সভাপতি। তৃতীয় স্থানে যুব নেতা বিশ্বজিৎ সরকারের নাম ও শোনা যাচ্ছে।

 নাকাশিপাড়া বিধানসভায় তৃণমূল বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ৫৫-৪৫%। SIR সঠিকভাবে হলে জয়ের মার্জিন আরো কমে যেতে পারে তৃণমূলের । তবে এখানে ত্রিমুখী লড়াই হলে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা প্রবল। 
 তৃণমূল এখানে কল্লোল খানকে প্রার্থী করতে পারে। যেহেতু তিনি রানিং এমএলএ। তবে আরো দু একজনের নাম আরো শোনা যাচ্ছে। 
 বিজেপি প্রার্থীর দৌড়ে আছেন, পঞ্চায়েত  সমিতির বিরোধী দলনেতা শিক্ষক অনুপ কুমার মন্ডল এর নাম। তিনি দৌড়ে সবার উপরেই আছেন। এছাড়াও প্রার্থীর দৌড়েছেন গতবারের প্রার্থী শান্তনু দে।
 এ ছাড়া নাম শোনা যাচ্ছে তপন রায়, দিনেশ বিশ্বাসেরও নামও। 

 রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভায় তৃণমূল বিজেপির জয়ের পার্থক্য হতে পারে ৫২-৪৮%। তবে বিজেপি এখানে জয়লাভ করার প্রবল সম্ভাবনা আছে।  
 তৃণমূল এখানে মুকুটমনি অধিকারী কে পুনরায় প্রার্থী করবেন। 
 রানাঘাট উত্তর-পূর্বে প্রার্থীর দৌড়ে যে নামটি উঠে আসছেন তিনি হলেন অশোক বিশ্বাস। যদিও রানিং বিধায়ক যিনি আছেন তাকেই হয়তো দল এখান থেকে টিকিট দেবেন সেক্ষেত্রে অসীম বিশ্বাসের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
 তৃণমূলের তরফ থেকে একজন মহিলা প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে তিনি প্রার্থী দৌড়ে প্রথমেই আছেন।।
 রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম বিধানসভায় প্রার্থীর দৌড়ে রানিং বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের নামই আছে।
 শান্তিপুরে প্রার্থী দৌড়ে আছেন জগন্নাথ সরকার ঘনিষ্ঠ  একজন ব্যবসায়ীর নাম। নবদ্বীপ বিধানসভায় যিনি প্রার্থী ছিলেন তিনি হয়তো পুনরায় আবারো প্রার্থী হতে চলেছেন বিজেপির পক্ষ থেকে। 
 বিজেপি প্রার্থীর দৌড়ে এখানে প্রথমে যে নামটি সবার উপরে উঠে এসেছে তিনি অসিত বরণ মন্ডল। গতবার তিনি প্রার্থীর দৌড়েছিলেন। তিনি একজন সমাজসেবী পুরানো বিজেপি নেতা ও ব্যবসায়ী। 
 এছাড়া প্রবল ভাবে প্রার্থী দৌড়ে আছেন রাজ্য বিজেপি তপশিলি মোর্চার সভাপতি সুদীপ দাস এর নাম। তিনি ভারত সরকারের আম্বেদকর ফাউন্ডেশনের সদস্য। তিনি সদ্য এই বিধানসভায় নিজের ভোট স্থানান্তরিত করেছেন। তৃতীয় স্থানে নাম থাকছে সুকান্ত বিশ্বাস এর।
 তেহট্ট বিধানসভায় তৃণমূল বিজেপির জয়ের পার্থক্য হতে যাচ্ছে ৫৫-৪৫%। তবে এই বিধানসভায় বিজেপির সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করতে পারলে এবং SIR সঠিকভাবে হলে জয় পরাজয়ের গল্প অন্যরকম হতে যাচ্ছে.
 তৃণমূল এখানে তাপস কুমার সাহা মৃত। এখানে দল কাকে প্রার্থী করতে পারে সেটা এখনো জানা যায়নি। তবে জেলা পরিষদের একজন সদস্যের নাম শোনা যাচ্ছে তিনি প্রার্থীর দৌড়ে আছেন। 
 বিজেপি প্রার্থী দৌড়ে প্রথমে যে নামটি উঠে আসছেন তিনি হলেন ডক্টর আমোদ প্রসাদ। তিনি সবার উপরের সারিতে থাকবেন।
 এরপর প্রার্থীর দৌড়ে আছেন আশুতোষ পাল। তিনি প্রার্থী ছিলেন গতবার। প্রাক্তন শিক্ষক সমর কুমার বিশ্বাসের নামও শোনা যাচ্ছে।
 এছাড়া এখানে প্রার্থী দৌড়ে আছেন মতুয়া আন্দোলনের মুখ অনিমেষ বালার নামও।

 পলাশীপাড়া বিধানসভায় তৃণমূল- বিজেপি র জয়ের পার্থক্য হতে পারে ৫৬-৪৪%। এখানে বিজেপিকে জিততে গেলে কিছু জটিল অংক সমাধান করতে হবে বিজেপিকে। 
 মানিকবাবু হয়তো এখান থেকে ভোটে দাঁড়াবেন না বা দল তাকে প্রার্থী করবেন না হয়তো।
  সেক্ষেত্রে শাসক দল তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়াতে পারেন একজন শিক্ষক নেতা। তিনি হলেন দেবাশীষ বিশ্বাস ।

বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমেই নাম উঠে এসেছে সংগীতা ঘোষের। তিনি মহিলা মোর্চার নেতৃত্ব।
 এবং জেলার প্রাক্তন সহ-সভাপতি। 
এরপরে প্রার্থী হিসেবে নাম উঠে আসছে গতবারের প্রার্থী বিভাস চন্দ্র মন্ডল এর। শারীরিক অসুস্থতার কারনে তাকে এবার দল প্রার্থী নাও করতে পারে। 
 এছাড়া একজন উকিলের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে এই বিধানসভায় এবার মহিলা প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল কারণ কৃষ্ণনগর লোকসভার মধ্যে দুটো বিধানসভা তে মহিলা প্রার্থী করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
 কালিগঞ্জ বিধানসভায় বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এখানে তৃণমূলের জয় সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ। তৃণমূলের এখান থেকে প্রার্থী করতে পারেন উপ নির্বাচনে জয়ী আলিফা আহমেদকে।
 আশিস ঘোষ কে এখান থেকে প্রার্থী নাও করা হতে পারে। তার কারণ তিনি উপনির্বাচনে প্রায় পঞ্চাশ হাজার ভোটে এখান থেকে পরাজয় স্বীকার করেছেন। উপ নির্বাচনে কোনরূপ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে। 
 বিজেপির পক্ষ থেকে এখানে কাউকেই এখনো সেভাবে  আলোচনায় আনা হয়নি।
 চাপড়া বিধানসভায় তৃণমূলের জয় সম্ভাবনা ৬০-৪০%। যদিও SIR এর প্রভাবে চাপরা বিধানসভায় তৃণমূলের অনেকটা ভোট কমে যেতে পারে। যদি ত্রিমুখী লড়াই হয় বিজেপি অনেক ভালো ফল করতে পারে। তৃণমূলের  তরফ থেকে এখানে প্রার্থী হবেন এম এল এ রূপবানুর রহমান।
 বিজেপি প্রার্থীর দৌড়ে আছেন গতবারের প্রার্থী কল্যাণ নন্দী। এরপরই নাম শোনা যাচ্ছে পরিতোষ সরকারের। জনমত সমীক্ষা ও সার্ভে রিপোর্টে পরিতোষ সরকার এবং কল্যাণ নন্দির মধ্যে জোরদার লড়াই চলছে। দুজনেই দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতৃত্ব। কল্যাণ নন্দী প্রাক্তন সভাপতি 
 অপরিচিত সরকার পেশায় একজন প্রাইমারি শিক্ষক। এখন দেখার বিষয় দল কাকে প্রার্থী করে।

 করিমপুর বিধানসভায় তৃণমূল-বিজেপি জয়ের পার্থক্য থাকতে পারে ৫৮-৪২%। করিমপুর বিধানসভায় সঠিকভাবে SIR হলে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার ভোট বাতিল হতে পারে। তাহলে তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমে গিয়ে বিজেপির সঙ্গে জোট টক্কর হতে পারে। তবে এখানেও প্রচুর পরিমাণে বুথে বিজেপির কর্মী থাকে না ভোটের দিন। বিজেপি এই কাজ করতে পারলে এই বিধানসভাতেও চোর লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এখানে শাসক দল তৃণমূল হয়তো পুনরায় বিমলেন্দু সিংহ রায় কে প্রার্থী করবে। 
 বিজেপি প্রার্থীদের দৌড়ে প্রথমেই আছেন মৃগেন কুমার বিশ্বাসের নাম। তারপরে থাকছেন ইন্দ্রজিৎ মন্ডলের নাম । এছাড়াও আছেন গতবারের প্রার্থী সমরেন্দ্রনাথ ঘোষের নাম।

 তবে দেখার বিষয় দল কাদের প্রার্থী করে। সঠিক প্রার্থী নির্বাচন ও SIR সঠিকভাবে হলে এই বিধানসভাগুলিতে বিজেপির জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।
২০২৬ শে বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ কে চমকে দেবে নদীয়া জেলার রেজাল্ট।

Sunday, January 18, 2026

বিধানসভা ভোট ঘোষণা শুরু হওয়ার আগেই সুতি বিধানসভায় দেওয়াল লিখন শুরু করলো বিজেপি।

বিধানসভা ভোট ঘোষণা শুরু হওয়ার আগেই সুতি বিধানসভায় দেওয়াল লিখন শুরু করলো বিজেপি।

দেবজ্যোতি মিশ,এবার বাংলা, সুতি - বিধানসভা  ভোটের নির্ঘন্ট বাজার আগেই বিজেপির পক্ষ থেকে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গেছে সুতি বিধানসভায়। তবে এই দেওয়াল কোন ব্যক্তির সমর্থনে নয় । তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই দেওয়াল লিখন। সুতি বিধানসভার ১২১ নম্বর তাঁতীপাড়া বুথে  বিধানসভা ভোটকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারেও চলছে এই দেওয়াল লিখন এর কাজ। 
 জেলা সাধারণ সম্পাদক শংকর পাল তাকে দেখা গেছে দেওয়াল লিখন করতে। তাকে সহযোগিতা করছেন  ষষ্ঠী চরণ  দাস ও জেলা নির্বাচন কমিটির sc..st ও obc মোর্চার সম্পর্ক প্রমুখ বাপন প্রামাণিক। 
 জেলা সাধারণ সম্পাদক শংকর বাবু বলেন, আর কিছুদিনের মধ্যেই নির্বাচনের নির্ঘন্ট বেজে যাবে। আমরা এখন থেকেই দেওয়াল দখলের কাজ শুরু করেছি। 
 ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। তোকে চোখ রেখে রেখে লড়াই হবে এবার শাসক দল তৃণমূলের সঙ্গে।

Thursday, December 25, 2025

ভারত সেবাশ্রমের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ

ভারত সেবাশ্রমের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ

সৌমেলী ব্যানার্জি, রানাঘাট, এবার বাংলা - তুলসী পূজন দিবস উপলক্ষে আজকে 
রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভার অন্তর্গত বৈদ্যপুর দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অঞ্চলে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ এর পক্ষ থেকে  ১ হাজার সনাতনী পরিবারের সদস্যদের শীতবস্ত্র প্রদান করা হলো। আজকের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি তপশিলী মোর্চা রাজ্য সভাপতি ডাঃ সুদীপ আদিত্য দাস। 
 এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্গে মহারাজ  অন্যান্য সমাজসেবী কর্মীরা।
কৃষ্ণনগরের ওবিসি মোর্চার পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরণ।

কৃষ্ণনগরের ওবিসি মোর্চার পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরণ।

সৌমেলী ব্যানার্জী, কৃষ্ণনগর, এবার বাংলা - রাজ্য বিজেপি ওবিসি মোর্চার পক্ষ থেকে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার ঘূর্ণি বাজারে কয়েকশো মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। 
 ভারতরত্ন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডক্টর  অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিন (সুশাসন দিবস )উপলক্ষে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। 
 বিজেপির পক্ষ থেকে এই দিনটিকে সুশাসন দিবস উপলক্ষে পালন করা হয়।  এছাড়া এই দিনটি খুবই স্মরণীয় দিন। আজকে দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম  কারন আজকে তুলসী পূজন দিবস  ও যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন। 
 আজকের এই সুশাসন দিবস উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন, বিগত কৃষ্ণনগর লোকসভার প্রার্থী রাণীমা  অমৃতা রায়, সম্ভবত তিনি হয়তো এবার কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার প্রার্থী, এছাড়া রাজ্য ও বি সি মোর্চার সহ-সভাপতি সুদীপ পাল, নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার যুব মোর্চার সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার, নদিয়া উত্তরের প্রাক্তন কনভেনার পঙ্কজ সাহা সহ অনেকে।
 কৃষ্ণনগর লোকসভার বিভিন্ন বিধানসভার জুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হয়। অটলবিহারী বাজপেয়ী জন্মদিন পালন করা হয় বিভিন্ন বিধানসভায়।