রাজ্য যুব মোর্চার সম্পাদক অনুরণ সেনাপতির নাম নিয়ে গোপীবল্লভপুর বিধানসভায় দলীয় কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে. এটা দিলীপ ঘোষের নিজস্ব বিধানসভা. এখানে দলীয় কোন্দল দিলীপ ঘোষকে স্বস্তিতে রাখতে পারছে না.
সম্ভাব্য যারা প্রার্থী হতে পারেন সেই সমস্ত নামের মধ্যে অনুরণ সেনাপতির নামও ছিল. কিন্তু কিছু দলীয় নেতৃত্বের ক্ষোভের কারণে এই নাম নিয়ে আপত্তি আসে. যদিও প্রার্থী তালিকা এখনো প্রকাশ হয়নি তবু এই বিষয়টা নিয়ে দলের বিবাদ প্রকাশ্যে এসে গেছে.
কিন্তু জনমত সমীক্ষা উল্টো কথা বলছে এখানে.
জনমত সমীক্ষায় সবার প্রথমে যে নামটি ভেসে আসছে প্রার্থী হওয়ার জন্য তিনি হলেন একজন মহিলা. মমতা ভকত. পঞ্চায়েত সমিতির মেম্বার. তার কাজকর্মে এলাকায় তার সুনাম বৃদ্ধি পেয়েছে. সাধারণ মানুষ করোনা ও আমফান পরবর্তী সময়ে যেভাবে তার কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছে সেটার কারণে তিনি জনমত সমীক্ষায় সবার প্রথমেই থাকছেন. এরপরে নামটি ভেসে আসছে অনুরণ সেনাপতির নাম.
তারপরে ভেসে আসছে লক্ষীকান্ত সাউ এর নাম. তিনি দিলীপ ঘোষ ও সঙ্ঘের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত. বর্তমানে তিনি ঝাড়গ্রাম জেলার সহ পর্যবেক্ষক আছেন.
এরপরে ভেসে আসে জেলার দুজন সাধারণ সম্পাদকের নাম. অবনী ঘোষ ও সনজিৎ মাহাতো.
মোটামুটি প্রার্থী তালিকায় এই সমস্ত নামগুলি ঘোরাঘুরি করছে. তবে দল কাকে প্রার্থী করে সেটাই দেখার. জনমত সমীক্ষা কিন্তু মমতা ভকত কে চাইছে.
এই জেলার মিডিয়া মুখপাত্র মৃনাল কান্তি ভূইয়া বলেছেন, দল এবং শাখা সংগঠনের পক্ষ থেকে অনেক নাম প্রার্থীর জন্য রাজ্জে পাঠানো হয়েছে. দলীয়ভাবে সিদ্ধান্তের পরে আমাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হবে. সেখানে সম্ভাব্য বলে কিছু হয়না.
যাকে নিয়ে বিতর্ক সেই অনুরণ সেনাপতি বলেন, শুনেছিলাম সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় আমার নামটাও আছে. কিন্তু আমাদের দল যাকে প্রার্থী করবে আমরা তার হয়ে কাজ করব. দলকে জেতানো আমাদের কাজ.
আমাদের জনমত সমীক্ষায় যিনি সবার প্রথমে আছেন , সেই মমতা ভকত বলেন,
বিজেপি দল অন্য দলের তুলনায় আলাদা. যে কোনো রকমের সিদ্ধান্ত দলীয় ভাবে নেওয়া হয়. আমাদের দলে ব্যক্তিগত ইচ্ছার কোন জায়গা নেই. দল আছে তাই আমরা আছি. দলের বাইরে গিয়ে কেউ কোনদিন কিছু করতে পারেনি করতে পারবোনা. আমার নাম কোথায় থাকলো বা নাথাকলো তাতে আমার কিছু আসে যায় না. মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করার জন্য রাজনীতিতে এসেছে ঘরের বউ হয়ে. দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই আমাদের কাছে শিরোধার্য.
0 coment rios: