অপরদিকে পলাশীপাড়া বিধানসভার বিজেপির প্রার্থী অনিমা দত্তকে বিজেপির কর্মী এবং মন্ডলের সভাপতিরাই কেউ মেনে নিচ্ছে না। প্রার্থী কোথাও প্রচারে গেলে পরে সেখান থেকে তাড়া খেয়ে তাকে ফিরে আসতে হচ্ছে। বিজেপির কর্মীদের কাছেই বিজেপি প্রার্থী প্রতিনিয়ত হেনস্থা শিকার হচ্ছে যেটা সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘোরাঘুরি করছে এবং এবং পুরো পলাশীপাড়া বিধানসভা জুড়ে কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পাচ্ছে। হাজার হাজার কর্মীরা একত্রিত হয়ে অনিমা দত্তের বিরুদ্ধে মিটিং মিছিল করছে।
এটা সত্যিই বিজেপির কাছে একটা মাথা যন্ত্রণার কারণ। নাকাশিপাড়া এবং পলাশীপাড়া বিধানসভা দুটি ফিফটি ফিফটি জায়গায় ছিল। কিন্তু প্রার্থী নিয়ে কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোপ থাকার কারণে বিজেপি এই দুটো আসন লড়াই দেওয়ার জায়গায় থেকে দিন দিন সরে যাচ্ছে।
নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাসকে কর্মীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও তৃণমূলের সাথে গটাপ করে প্রার্থী দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
অর্জুন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে প্রার্থী করার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগ করেছেন খোদ বিজেপির কিছু জেলার নেতৃত্ব এবং কর্মী সমর্থকরা।
রাজ্য বিজেপি বিষয়টি দেখেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। অনিমা দত্ত শেষ পর্যন্ত এখানে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে থেকে গেলে দশ শতাংশ বুথেও ভোটের দিন কর্মী বসাতে পারবে না। কাউন্টিং এজেন্ট যাওয়া তো দূরের কথা।
নাম প্রকাশে অনচ্ছুক এক বিজেপি কর্মী বলেন, আমরা পলাশীপাড়া বিধানসভার কর্মী সমর্থকরা দীর্ঘ দিন ধরে জেলা সভাপতি অর্জুন-বিশ্বাসের অত্যাচারের শিকার। তিনি পার্টিটাকে নিজের বাপের সম্পত্তি মনে করেন আর আমাদেরকে দলের কর্মচারী মনে করেন। এখানকার মন্ডল সভাপতি এবং কর্মী নেতাদের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে অনিমা দত্তকে প্রার্থী করা হয়েছে কোন অংকে কোন হিসেবে তার কৈফিয়ত দিতে হবে জেলা সভাপতি অর্জন বিশ্বাস কে। অর্জুন বিশ্বাস এখানে এসে অনিমা দত্তকে নিয়ে প্রচার করে অনিমা দত্তকে জিতিয়ে নিয়ে যাক আমরা তার পাশে নেই। পুরো কৃষ্ণনগর লোকসভার মধ্যে বিজেপির একটা ভালো ফলের আশা করেছিলাম কিন্তু তিনি যেভাবে টাকা নিয়ে প্রার্থী সেটিং করেছেন সেটা আমরা মেনে নিতে পারছি না। পলাশীপাড়া বিধানসভার প্রার্থী যদি বদল না হয় তাহলে আমরা এই বিক্ষুব্ধ কর্মীরা নির্দল প্রার্থী দেব। অর্জুন বিশ্বাসকে আমরা দেখিয়ে দেবো দলের কর্মী সমর্থকদের মতামতের গুরুত্ব না দিলে কি হয়।
0 coment rios: