Monday, February 15, 2021

ঝাড়গ্রাম বিধানসভায় বিজেপি গত লোকসভা ভোটে এগিয়ে থাকলেও 2021 এর লড়াইটা জমজমাট হতে চলেছেএখানে. কারা আছে প্রার্থীর দৌড়ে জানুন.

নিজস্ব প্রতিনিধি, এবার বাংলা, ঝাড়গ্রাম- গত লোকসভা ভোটে বিজেপি ঝাড়গ্রাম লোকসভা থেকে 11 হাজার 767 ভোটে জিতেছিল. আবার ঝাড়গ্রাম বিধানসভা থেকে  বিজেপি পেয়েছিল 83 হাজার 812 ভোট ও তৃণমূল পেয়েছিল 82 হাজার 169 ভোট. অর্থাৎ মাত্র 643 ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি এই বিধানসভায়.
 যদিও 2016 সালের বিধানসভা ভোটের পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এখান থেকে বিজেপি অজয় কুমার সেন পেয়েছিলেন 18 হাজার 843 ভোট. আর তৃণমূলে সুকুমার হাঁসদা পেয়েছিলেন 99 হাজার 233 ভোট. 2016 সালে বিজেপি এখানে তিন নম্বরে ছিল. দ্বিতীয় নম্বরে ছিল ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা. মুক্তি মোর্চা চুনিবালা পেয়েছিলেন 44 হাজার 5 ভোট. আর কংগ্রেসের সুব্রত ভট্টাচার্য পেয়েছিলেন 7017 ভোট.
 2016 থেকে 2019 এই তিন বছরের মধ্যে বিজেপি এখানে শক্তি বৃদ্ধি করে এক নম্বরে উঠে এসেছে. 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে তৃণমূল বিজেপির মধ্যে.
 এই বিধানসভায় মোট 11 লক্ষ 36 হাজার 548 জন মানুষ বসবাস করেন.  যার মধ্যে গ্রামে বসবাস করেন 96.52 শতাংশ এবং শহরে বসবাস করেন 3. 48 শতাংশ.
 গ্রাম নির্ভর এই বিধানসভায়1951 সালে থেকে নির্বাচন  হয়ে আসছে  কিন্তু এই বিধানসভায় মানুষের কোন উন্নতি আজও চোখে পড়েনি. সিপিএম কংগ্রেস তৃণমূল বিভিন্ন দল ক্ষমতায় এসেছে এই বিধানসভায়. গত লোকসভা ভোটে এখানে বিজেপি এগিয়ে ছিল. ঝাড়গ্রাম লোকসভায়  বিজেপি জিতে যায়. তবুও বিগত তিন বছরে ঝাড়গ্রামের মানুষের উন্নতি চোখে পড়েনি এখনো. এই বিধানসভায় 20. 11 শতাংশ SC সম্প্রদায় মানুষ বসবাস করে ও 29.37 শতাংশ ST বদলে যায় মানুষ বসবাস করে 2011 সেন্সাস সমীক্ষা অনুযায়ী.
 ঝাড়গ্রাম বিধানসভার প্রথম বিধায়ক ছিলেন মদন মোহন খান. 1951 সালে তিনি এখান থেকে প্রথম বিধায়ক হন.2011 সাল থেকে এখানে বিধায়ক আছেন তৃণমূলের সুকুমার হাঁসদা.
 2021 সালে হয়তো তৃণমূল সুকুমার বাবু কে পুনরায় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন.
 কিন্তু বিজেপির প্রার্থীর দৌড়ে অনেকেই রয়েছেন.1) প্রথমে প্রার্থীর দৌড়ে রয়েছেন অশোক মহান্তি. তিনি গোপীবল্লভপুর কলেজের অধ্যাপক.
2) এরপরে প্রার্থীর দৌড়ে রয়েছেন  সঞ্জীব মাহাতো. তিনি একজন লড়াকু নেতৃত্ব. ভারতী ঘোষ যখন তৃণমূলের ছিলেন সেই সময় সঞ্জীব বাবু কে তিনি জেল খাটিয়েছিলেন.   প্রার্থীর দৌড়ে হয়েছেন তিনিও.
3) এর পরে রয়েছেন অবনী ঘোষ. তিনি জেলা সাধারণ সম্পাদক. তিনিও আছেন প্রার্থীর দৌড়ে.
4) এরপর জনমত সমীক্ষায় দৌড়ে রয়েছেন জেলা সভাপতি সুখময় সৎপতি. যদিও সূত্র থেকে শোনা যাচ্ছে খুব প্রয়োজন না হলে বিজেপি দল এবার কোন জেলা সভাপতি কে বিধানসভার প্রার্থী করবে না.
5) এরপর প্রার্থীর দৌড়ে রয়েছেন স্বপন বেজ.  তিনি বিধানসভা ভোটার না হলেও তার নাম শোনা যাচ্ছে এই বিধানসভা প্রার্থীর দৌড়ে.
 তবে বাতাসে কান পাতলে এই বিধানসভার বিভিন্ন জায়গা থেকে শোনা যাচ্ছে দিলীপ ঘোষের ভাগনে  ভোটে দাঁড়াতে পারে এই বিধানসভা থেকে. এখন দেখার দল কাকে প্রার্থী করেন. বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী এই সমস্ত ব্যক্তি প্রার্থীর দৌড়ে রয়েছেন জনমত সমীক্ষায়. তবে এর বাইরে থেকেও দল যে কাউকে প্রার্থী করতে পারে.

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: