কেন কি কারনে এই মহৎ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি।
তবে অনুমান করা যাচ্ছে আগামী ৭ ডিসেম্বর ব্রিগেডে পাঁচ লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হবে, সেই সূচনা দেওয়ার জন্য এটি একটি প্রচার মুখি কৌশল হতে পারে। 
পথ চলতি একজন মানুষ তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতি ও হিন্দুদের দৈনদশা দেখে একটাই কথা বলা যেতে পারে এই বাংলায় হিন্দুদের একত্রিত হওয়া ছাড়া কোন বিকল্প রাস্তা খোলা নেই। তাইতো হিন্দুদের একত্রিত করার জন্য ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ অনুষ্ঠান করা হয়েছে বলে আমার মনে হচ্ছে।
আজকের এই মহৎ উদ্যোগে গীতা দান করতে দেখা গেছে বিজেপি নেত্রী সংগীতা ঘোষ ও বর্ষিয়ান বিজেপি নেতৃত্ব মহিতোষ ভৌমকে।
বর্তমান সময়ে পলাশীপাড়া বিধানসভার বিজেপির মুখ সঙ্গীতা ঘোষ তিনি বলেন, আগামী ৭ ই ডিসেম্বর ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আমি আমার বিধানসভার সমস্ত সনাতনী মানুষকে আমন্ত্রণ জানাই ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ শোনার জন্য।
আমরা অনেক সনাতনী মানুষ আছি যাদের বাড়িতে এখনো গীতা নেই। তাইতো যাদের বাড়িতে গীতা নেই তাদেরকে আমরা গীতা দান করছি ও ব্রিগেডে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই।
তাছাড়া বর্তমান সময়ে তৃণমূলের আমলে হিন্দুদের ধর্মীয় আচার-আচরণের উপর যেভাবে বাধা-বিপত্তি নেমে এসেছে , তা থেকে একটা বিষয়ে পরিষ্কার করে বলতে চাই, হিন্দুদের একত্রিত হওয়া ছাড়া কোনো রাস্তা খোলা নেই। 
মহিতোষ ভৌমিক বলেন, আজকের দিনটি বিশেষ দিন, আজকে গীতা দিবস, সেই দিনে মানুষের হাতে গীতা তুলে দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। গীতা দান মহৎ দান। গীতাদান করে নিজের মনের তৃপ্তি লাভ সেটি কোটি টাকা দিয়েও পাওয়া যাবে না।
0 coment rios: